বিধি ভঙ্গ করে শিক্ষা কর্মকর্তার পৃথক বিদায়ে সকাল থেকে ব্যস্ত চন্দনাইশের শিক্ষকরা


প্রতিনিধি :    |    ১০:১১ পিএম, ২০২৪-০২-২০

বিধি ভঙ্গ করে শিক্ষা কর্মকর্তার পৃথক বিদায়ে সকাল থেকে ব্যস্ত চন্দনাইশের শিক্ষকরা

চন্দনাইশ প্রতিনিধি :
চন্দনাইশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেনের পৃথক পৃথক বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। ২০ ফেব্রুয়ারী দুপুরে চন্দনাইশ অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগমের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা পর্যায়ের সকল কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ নেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডিপ্লোমেসি চাকমা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনম আবু সালেহ্, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রতন কুমার সাহা, ইউআরসি ইন্সটেক্টর আকতার সানজিদা জাফর পপি, সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা যথাক্রমে তপন কুমার পোর্দ্দার, জীবন কানাই সরকার প্রমুখ।
অপরদিকে বিকালে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের  আয়োজনে পৃথক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত প্রথামিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন, সংবর্ধিত অতিথি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা যথাক্রমে জীবন কানাই সরকার, তপন কান্তি পোদ্দার, ইউআরসি ইন্সটেক্টর আক্তার সানজিদা জাফর পপি, প্রধান শিক্ষক যথাক্রমে উৎপল চৌধুরী, হোসেন সরোওয়ার্দি, মো. জাকের হোসাইন, হাবিবুর রহমান, গোপাল কৃষ্ণ ঘোষ, কেশব চন্দ্র আশ্চার্য্য, আবুল কালাম আজাদ, দিলশাদ বেগম,  শিরিন আফরিন, শাহিন আকতার, শিমুল বড়ুয়া, সেলিনা আকতার, আয়ুব আলী, মনিরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। আলোচনা সভায় স্থানীয় একজন সাংবাদিক আপত্তিকর বক্তব্য দিলে শিক্ষককেরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়। এদিকে ৯১ জন প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে চাঁদা নিয়ে বিদ্যালয় চলাকালীন সময় বিকাল ৩ টায় বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করায় অভিভাবক ও সচেতন মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে দেখা যায়। এ ব্যাপারে একজন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, তারা ৩ টায় আয়োজন করলেও তারা গিয়েছেন ক্লাস সময়ের পরে। বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করতে সকাল থেকে স্কুল ফাঁকি দিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন একাধিক প্রধান শিক্ষক।